কতিপয় দেশের অর্থনীতির ধস এবং পুনরুত্থানের ইতিবৃত্তঃ
কতিপয় দেশের অর্থনীতির ধস এবং পুনরুত্থানের ইতিবৃত্তঃ ব্যক্তির জীবনে যেমন উত্থান পতন রয়েছে, তেমনি একটি রাষ্টের জন্মলগ্ন থেকে পরবর্তীতে অর্থনৈতিকভাবে অনেক চড়াই-ঊতরাই পেরিয়ে আবার স্বাভাবিক গতিতে চলতে থাকে। অর্থনীতির গতিপথ সম্পর্কে বিভ্রম থাকা, অপ্রয়োজনীয় উচ্চাভিলাষী প্রকল্প গ্রহণ, বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় অদক্ষতা, দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাব একটি দেশের অর্থনীতির ধসের নিয়ামক। গত এক দশকে জিম্বাবুয়ে, গ্রীস এবং শ্রীলংকার অর্থনৈতিক ধস বিশ্বের তাবত পরিকল্পনাবিদদের চিন্তার দুনিয়ায় মারাক্তভাবে প্রভাব ফেলেছে। ধরুন আপনি কোন দেশে বেড়াতে গেলেন সাথে করে নিজের ব্যবহারে লাগেজ এর সাথে এক্সট্রা কয়েকটা বস্তা নিয়ে যাবেন ঐদেশের মুদ্রা বহনের জন্য। কেনইবা নিবেন না, যদি আপনাকে এক বোতল পানি ক্রয় করতে ১ মিলিয়ন ডলার খরচা করতে হয়! হ্যাঁ জিম্বাবুয়ের কথাই বলছি। ১৯৮০ সালে জিম্বাবুয়ে বৃটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার আগে দেশটির নাম ছিল সাউদার্ন রোডেশিয়া। ১৯৮০ সালে স্বাধীনতার পর রোডেশিয়ান ডলার বিলুপ্ত হয় এবং স্বাধীনদেশটি “জিম্বাবুয়েন ডলার” চালু করে। জিম্বাবুয়ের অর্থনীতি তখন অনেক ভালো ছিল। তাদের অর্থ...